social post cover

ঈমানের অপরিহার্য পাঠ সম্পর্ক

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, দুপুর ০৩:০২

ছাত্র জীবনে বই ছাড়া ডানে-বামে তাকাতাম না বলে আমার এক শিক্ষক বলেছিলেন—এই ছেলে জিন নাকি!

'ঈমানের অপরিহার্য পাঠ' বইটি লিখতে গিয়ে, ফেলে আসা সেই কিতাবমুখর দিনগুলো আবার যেন ফিরে এসেছে জীবনে।

লেখার প্রয়োজন এত বিপুল সংখ্যক বই ও রচনার কাছে আমাকে নিয়ে গেছে—জীবনের এই মাঝবেলায় আমি যেন নতুন করে ‘বইপাগল’ ছাত্র হয়ে উঠেছি।

দেড় বছর আগে শুরু করা এই বইটির জন্য গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি ছিলাম। পাহাড়কাটা পরিশ্রমের পর অবশেষে স্বপ্নের বইটি আপনাদের হাতে ওঠার জন্য প্রায় প্রস্তুত।

অবশ্য প্রাথমিক পর্যায়ে পরিকল্পনা ছিল ভিন্ন। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নয়, বরং সামগ্রিক ইসলামকে জানার জন্য যা যা প্রয়োজন, তা এক মলাটে আনতে কাজ শুরু করেছিলাম। যা পূর্বে এক পোস্টে আপনাদেরকে জানিয়েও ছিলাম। 

কিন্তু লেখার সমুদ্রে ডুব দিয়ে নতুন নতুন বিস্ময় ও অনুসন্ধানের মুখোমুখি হই। ফলে, বইটির কলেবর বেড়ে যেতে থাকে। 

তাই প্রথম ধাপে শুধু ঈমানের অংশ নিয়ে ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামে বইটি প্রকাশ করার পরিকল্পনা করি। লেখা শেষ হয়ে যা এখন প্রকাশের প্রক্রিয়ার ভেতর রয়েছে। 

বইটিতে ঈমানের মৌলিক বিষয়সমূহ তুলে ধরার পাশাপাশি কুরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমান-পরিপন্থী নিত্য-নতুন কুফর ও নিফাকের লক্ষণগুলো চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছি। সেই সাথে সময়ের সংশয় ও সংকটসমূহকে সামনে রেখে প্রসঙ্গের ফাঁকে ফাঁকে ঈমানের প্রয়োজনীয়তা ও সুফলের ওপর আলোকপাতের চেষ্টা করেছি।

বইটির নাম প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন প্রায় সত্তর হাজার মানুষ। আপনাদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সাড়াদানে আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ। অবশেষে 'ঈমানের অপরিহার্য পাঠ' নামটাই চূড়ান্ত করা হলো।

ঈমানের পর ইসলামের ইবাদত, আখলাক, লেনদেন ইত্যাদি বিষয়েও স্বতন্ত্র বই আপনাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ। 

সবার কাছে দোয়া কামনা করি—মহান আল্লাহ এই বইটিকে কবুল করেন, আমাদের ঈমান শেখা, ঈমান পুনর্মূল্যায়ন ও নাজাতের মাধ্যম বানান। আমীন।